বুধবার, আগস্ট ২১, ২০১৯
প্রথমপাতা > ক্যাম্পাস > মেঘ পাহাড় আর নীল সাগরের স্বর্গরাজ্যে

মেঘ পাহাড় আর নীল সাগরের স্বর্গরাজ্যে

শরিফুল ইসলাম সীমান্ত

২২ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার রাত ১১টা। কলা ও মানবিকী অনুষদ ভবন প্রাঙ্গণ। প্রচ- শীতের এক রাত। বন্ধুদের সাথে ফটোসেশন পর্ব শেষ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাসটা দিয়েই দিলাম। ট্রাভেলিং টু বান্দরবন এন্ড কক্সবাজার ফ্রম জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি। বহু জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে স্টার্ট হল বাসের ইঞ্জিন। হুল্লোড় করে উঠল জার্নালিজম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ পরিবার। বাস ছুটে চললো বান্দরবনের উদ্দেশ্যে। হাতছানি দিয়ে ডাকছে সবুজ পাহাড় আর শুভ্র মেঘের দল। তাদের সেই ডাকে সাড়া দিয়েছি আমরা। এখন কি আর চুপটি করে বসে থাকা যায়? নিশ্চয়ই না। যাত্রাপথের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যার যার স্টকে যত গান ছিল তার কোনোটিই বাদ পড়ল না আমাদের বেসুরো গলার অত্যাচার থেকে। ভাল কথা গান হবে কিন্তু নাচ হবেনা এটিতো হবার নয়। আর নাচতে না জানলে উঠোন (এখানে অবশ্য বাস) বাঁকা এ অজুহাত তো কোনো মতেই দেয়া দেয়া যাবেনা। আর তাইতো শ্রদ্ধেয় রাকিব স্যার এবং উজ্জল স্যারের বহু দিনের সুপ্ত নাচের প্রতিভাও সযতেœ বিকশিত হল আমাদের পীড়াপীড়িতে। ৪৪তম আবর্তনের নাচ আর গানের উদ্যম দেখেতো রাকিব স্যার বলেই উঠলেন- ৪৪ রকস!

ঢাকা থেকে বান্দরবনের দূরত্ব আড়াইশ কি. মি. এরও বেশি। পরদিন সকাল ১০ টায় আমরা পৌঁছে গেলাম বান্দরবন শহরে। নাশতা সেরে রওনা হলাম মেঘলা পর্যটন স্পটের উদ্দেশ্যে। বান্দরবন জেলা শহরে প্রবেশের ৭ কি.মি. পূর্বে কিছু সুন্দর উঁচু নিচু পাহাড় বেষ্টিত একটি লেককে ঘিরে গড়ে উঠেছে এই পর্যটন কেন্দ্রটি। ঝুলন্ত ব্রীজ আর ক্যাবল কারে চড়ে এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড় ও হাঁসের প্যাডেল বোটে করে লেকের স্বচ্ছ পানিতে ঘোরাঘুরি। পাহাড় বাইতে বাইতে এই শীতের মধ্যেও ঘাম ছুটে গেল সবার। সব কিছু মিলিয়ে শিক্ষাসফরের শুরুটা হল বেশ চমৎকার। ঘোরাঘুরির মধ্যেই ঘটে গেল এক মজার ঘটনা। সবার মতোই ক্যাবল কারে করে পাহাড় দেখছিলেন আমাদের শিক্ষকরা। রাকিব স্যার, উজ্জল স্যার আর বাংলা বিভাগের মামুন স্যার। সবার ক্যাবল কারই নিরাপদে ল্যান্ড করলেও একদম শেষ মুহূর্তে এসে হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল শিক্ষকত্রয়ের সেই ক্যাবল কারটি। যান্ত্রিক ত্রুটি। দুই পাহাড়ের মধ্যিখানে ক্যাবল কারে ঝুলে রইলেন তারা! নিচে লেকের পানি। ঘোরাঘুরি বাদ দিয়ে সবার দৃষ্টি সেই ক্যাবল কারের উপর। অবশ্য শেষ পর্যন্ত নিরাপদেই ক্যাবল কার থেকে নামতে পেরেছিলেন স্যাররা।

মেঘলায় ঘোরাঘুরি শেষ করে রওনা হলাম বান্দরবনের বিখ্যাত স্বর্ণমন্দিরের উদ্দেশ্যে। বান্দরবন শহর থেকে ৯ কি.মি. উত্তরে বালাঘাট নামক এলাকার পাহাড়ের চূড়ায় এই স্বর্ণমন্দির। স্বর্ণ দিয়ে তৈরি না হলেও সোনালী রঙের কোনো কমতি নেই পুরো মন্দির জুড়ে। বৌদ্ধ ধাতু জাদী বা মহাসুখ মন্দির নামেও পরিচিত এই স্বর্ণমন্দিরটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের একটি উপাসনালয়। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। অনেক উঁচু এক খাড়া পাহাড়ের উপর এর অবস্থান। পাহাড় বেয়ে উঠতে উঠতে হাঁপিয়ে উঠলো প্রায় সবাই। যাদের দেহের ওজন একটু বেশি ছিল তাদের কথা না হয় আর নাইবা বললাম! মায়ানমার, চীন ও থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ টেম্পলগুলোর আদলে তৈরি এই স্বর্ণমন্দিরের কারুকার্য্যময় নিমার্ণশৈলী দেখে খাড়া পাহাড় বেয়ে উঠার ক্লানিত ভুলে গেল সবাই। চারপাশের সবুজ প্রকৃতির মাঝে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা এই স্বর্ণমন্দিরের অপূর্ব দৃশ্যটি স্বচক্ষে না দেখলে বোঝানো মুশকিল।

স্বর্ণমন্দির ঘোরা শেষ করে আবারো ফিরে এলাম বান্দরবন শহরে। আমাদের পরবর্তি মিশন- নীলাচল। বান্দরবন শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৬ কি.মি.। দুপুরের খাবার পর্ব শেষ করে এবারে চড়ে বসলাম বান্দরবনের বিখ্যাত ‘চাঁন্দের গাড়ি’তে। হুডখোলা এক জীপ গাড়ি। যার স্থানীয় নাম ‘চাঁন্দের গাড়ি’। গাড়িতে বসে একেকজন বুদ্ধিজীবি স্টাইলে ব্যখ্যা করতে শুরু করলো কেনো এর নাম চাঁন্দের গাড়ি। ৪২তম আবর্তনের বিকাশ ভাই বললো, হুডখোলা এই গাড়িতে বসে আকাশের চাঁদ দেখা যায় তাই এর নাম চাঁন্দের গাড়ি। শবনম আপু প্রস্তাব করলেন, এই গাড়িতে বসে যেহেতু আকাশও দেখা যায় তাহলে এর নাম আকাশ গাড়িও রাখা যেতে পারে। কিন্তু চাঁন্দের গাড়ি যখন বিপদজনক পাহাড়ি রাস্তা ধরে প্রচ- গতিতে ছুটতে শুরু করলো তখন আমার মনে হল, নীল আর্মস্ট্রংয়ের চন্দ্র অভিযানের রকেটটিও হয়তো এই গতিতেই ছুটেছিল যার কারণে এর নাম রাখা হয়েছে চাঁন্দের গাড়ি। উচুঁ-নিচু পাহাড় ধরে ছুটছে চাঁন্দের গাড়ি। এই একটা ঢাল পেরোয় তো আবারো খাড়া পাহাড়। রাস্তার পাশ ঘেষেই গভীর খাদ। সেদিকে তাকাতেই ভয় করে। এদিকে চাঁন্দের গাড়ির ড্রাইভার খাড়া পাহাড়ে যে স্পীডে গাড়ি চালায় আবার সেই সমান স্পীডেই ঢাল বেয়ে নামে। প্রথম প্রথম ভয়ে একেকজনের আত্মারাম খাঁচা ছাড়া হবার যোগাড়! কখন না জানি গাড়িসুদ্ধ সব কটা পড়ে যাই পাহাড় থেকে। কেউ একজন জানালো এখানকার ড্রাইভাররা বেশ অভিজ্ঞ। তারা সব সময় এভাবেই গাড়ি চালায়। দুর্ঘটনা খুব একটা ঘটেনা। চাঁন্দের গাড়ির এই রোলার কোস্টার রাইডের সাথে কিছুটা মানিয়ে নিতেই আবারো শুরু হল আমাদের বেসুরো গলার গান। আমাদের গাড়িতে ছিলেন ৪২তম আবর্তনের আরেকজন আপু। সুরভী আপু। আপু বোধহয় ট্যুরে গেলেও খুব কমই চুপচাপ থাকে। সব সময় সবাইকে এক প্রকার দৌঁড়ের উপরই রাখেন তিনি। আপুর এই গুণের কথা এর আগে আমরা ৪৪তম আবর্তন যখন প্রথম বর্ষের শুরুর দিকে সিলেট ট্যুরে গিয়েছিলাম তারা আরো ভালো বুঝবে! যাই হোক এবারে চাঁন্দের গাড়ির রোলার কোস্টার রাইডের ভয় এড়িয়ে সুরভি আপুর নেতৃত্বে আমরা আবারো গাইতে শুরু করলাম।
লাল পাহাড়ের দেশে যা
রাঙামাটির দেশে যা
এখান তোকে মানাইছে নাই রে
ইক্কেবারে মানাইছে নাই রে।

নীলাচল পৌঁছানোর পর বন্ধু নাঈম শুনালো আরেক মজার ঘটনা। ও ছিল অন্য গাড়িতে। আর ওদের গাড়িতে ছিল ৪১তম আবর্তনের সাদ ভাই। সাদ ভাই কে যারা চেনে তাদেরকে আর বেশি কিছু না বললেও চলবে। সবাই যখন পাহাড়ি রাস্তার চাঁন্দের গাড়ির ভয়ে অস্থির। ভাই নাকি বারবার ড্রাইভারকে ডিরেকশন দিচ্ছিলেন- ড্রাইভার ভাই, এই খাঁদটা ছোট। ঐ পাশেরটা বড় আছে। ঐটাতে ফেলে দেন!

আমরা যখন নীলাচলে পৌছালাম সূর্য্যটা তখন পশ্চিমাকাশে রক্তবর্ণ ধারণ করেছে। চারপাশের সবুজ পাহাড়ে প্রতিফলিত হচ্ছে সূর্যের সেই লালচে রং। সবুজ পাহাড়ের উপর ঝুলে আছে সাদা মেঘের দল। দিগন্ত ছুঁয়েছে একের পর এক সবুজ পাহাড়। প্রকৃতির এমন স্বর্গরাজ্যে যখন অদূর ভবিষ্যতে নববধূকে নিয়ে মধুচন্দ্রিমায় আসার পরিকল্পনা আঁটছিলাম বন্ধু তানজিনা বললো এটা একদমই ঠিক হবেনা। কেননা নবদম্পতির তখন মুগ্ধ দৃষ্টিতে অপলক এক অপরের দিকে তাকিয়ে থাকার সময়। এখানে আসার পর দেখা যাবে প্রকৃতির নয়নাভিরাম সৌন্দর্য্যে তারা এতটাই বিমোহিত হবে পড়বে যে একে অপরের অস্তিত্বের কথাও ভুলে যেতে পারে! দিনের সূর্য্য ডুবে গিয়ে রাতের রূপালী চাঁদের আলো যখন নীলাচলের মন ভুলানো প্রকৃতিতে মায়া ছড়াতে শুরু করলো চাঁন্দের গাড়িতে চড়ে আমরা তখন হোটেলে ফিরে চললাম।

২৪ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা
সূয্যিমামার ঘুম তখনো ভাঙেনি। এর মধ্যেই শীতে কাঁপতে কাপতে আমরা আবারো চড়ে বসলাম চাঁন্দের গাড়িতে। উদ্দেশ্য নীলগিরি। ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠা-া বাতাসে শরীর তখন প্রায় অনুভূতি শূন্য। হুডখোলা চাঁন্দের গাড়ি আবারো সেই প্রচ- গতিতে চলতে শুরু করলে ঠা-া বাতাসের ঝাপটায় দম বন্ধ হবার উপক্রম হল। এক সময় কুয়াশার চাঁদর ভেদ ধীরে ধীরে আলো ছড়াতে লাগলো সূর্য্য। সূর্যমুখী ফুলের মতোই হলুদ নরম সে আলো। ভোরের সেই মৃদূ আলোয় যখন নিজেদেরকে আবিষ্কার করলাম মেঘের অনেক উপরে তখন অদ্ভুত এক ভাললাগার অনুভূতি ছড়িয়ে পড়লো মন জুড়ে। মেঘ, পাহাড় আর সূর্য্যরে এক অপূর্ব মিলনমেলা। পাহাড়ে সূর্যোদয় দেখার এই দৃশ্যটা কখনোই ভোলার নয়। মনে হচ্ছিলো হাত বাড়ালেই ছুঁয়ে দেয়া যাবে শুভ্র মেঘের উপর ঝুলে থাকা ঐ রক্তিম সূর্য্যটাকে। জেলা শহর থেকে প্রায় ৪৩ কি.মি. দূরে অবস্থিত নীলগিরি পৌঁছে সকলেই ব্যস্ত হয়ে পড়লো পাহাড়ি মেঘের সাথে নিজেদেরকে ক্যামেরার ফ্রেমবন্দি করতে। দুপুর পর্যন্ত নীলগিরিতে অসাধারণ কিছু মুহূর্ত পার করে চাঁন্দের গাড়িতে চড়ে ফের রওনা হলাম হোটেলের দিকে।
নীলগিরি থেকে ফেরার সময় মনের কোণে শুধু বাজছিলো সবুজ এ পাহাড়ি পথটা যদি কখনো শেষ না হত। যদি বাকিটা জীবন এভাবেই হুডখোলা চাঁন্দের গাড়িতে বন্ধুদের সাথে গলা ছেড়ে গান গাইতে পারতাম!

সেদিনই বান্দরবনকে বিদায় জানালাম আমরা। রওনা হলাম পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের দিকে। বান্দরবন থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব ১৪৫ কি.মি.। রাত আটটার সময় আমরা পৌছে গেলাম কক্সবাজারের লাবণী সী বীচে। পা ভেজালাম সাগরের নোনা জলে। মুছে গেল সারাদিনের ক্লান্তি। একাদশে বৃহস্পতি হয়ে দেখা দিল পূর্ণিমার চাঁদের আলো। জোৎ¯œা রাতের সে মায়াবী চাঁদের আলোয় বন্ধুদের সাথে কক্সবাজারের উত্তাল সমুদ্র সৈকতে খালি পায়ে হাটলাম অনেকটা দূর।

পরদিন সকালের নাশতা শেষ করেই বেরিয়ে পড়লাম সৈকতের দিকে। তারপর এক ছুটে ঝাপিয়ে পড়লাম বিশাল সমুদ্রের বুকে। উত্তাল ঢেউয়ের ভাজে ভাজে সঁপে দিলাম নিজেদেরকে। বড় ভাই আর বন্ধুদের সাথে জমে উঠলো উল্টাপাল্টা শটের ফুটবল খেলা। কে যে কোন দলে আর কোথায় যে গোলপোস্ট তার কোনো ঠিক ঠিকানা নেই। যার কাছে বল সেই মারে দিক বিদিক শূন্য লাথি! এরই মধ্যে কখনোবা একা আবার কখনোবা বড় ভাই-আপু আর বন্ধুদের সাথে চললো একের পর এক ছবি তোলার মহড়া। সাগরের ঠা-া পানি শরীরে কাঁপন ধরানোর আগ পর্যন্ত সমুদ্র¯œান শেষ হলনা কারোরই। দুপুরের খাবার খেলাম আমরা কক্সবাজারের বিখ্যাত এক রেস্তোরায়। লবঙ্গ! বিভাগের ৪১তম আবর্তন থেকে শুরু করে ৪৪তম আবর্তনের কাছে এই ‘লবঙ্গ’ এক মজার আর ঐতিহাসিক স্মৃতি হয়ে থাকবে চিরকাল।

সূর্যাস্ত দেখার আশায় গোধূলি বেলায় সবাই মিলে সৈকতে গেলেও আকাশে হালকা মেঘ থাকায় তা আর দেখা হলনা। সেদিন বিকেলের সমুদ্র সৈকতে শেষ হল ৪১তম আবর্তনের মঈনুল রাকিব ভাইয়ের পরিচালনায় আর ফয়েজ ভাইয়ের অভিনয়ে ডকু ড্রামা ‘কদম আলী এখন বান্দরবাজার’। (ইউটিউবে ‘কদম আলী এখন বান্দরবাজার’ লিখে সার্চ দিলেই পাওয়া যাবে নাটকটি।)

সন্ধ্যা রাতে বার-বি-কিউ পার্টি। ভরা পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় আবারো আলোকিত সমুদ্র সৈকত। প্রাণচাঞ্চ্যল্যে জমে উঠল সমুদ্রসৈকতে আমাদের ক্যাম্পফায়ারের গল্প। সে গল্পে যোগ দিল জোয়ারের টানে ফুলে ফেপে উঠা উত্তাল সমুদ্রের ঢেউয়ের গর্জন আর উত্তুরে হিমেল হাওয়া। এবার ঘরে ফেরার পালা। সময় হয়েছে এ স্বপ্নযাত্রার ইতি টানার। ফিরে চললাম প্রিয় ক্যাম্পাস জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। সমুদ্র সৈকতে রেখে এলাম আমাদের পদচিহ্ন। সে পদচিহ্ন ধরে আবারো একদিন ফিরে যাবো ঐ সমুদ্র তীরে। হয়তো সেদিন আর আমরা একসাথে থাকবোনা। থাকবোনা আজকের এই মানুষটি। সময় বয়ে যাবে। পাঁক ধরবে চুলে। কিন্তু সমুদ্র। সে তো চিরযৌবনা। তার নোনা জল ছুঁয়ে বারবার খুঁজে নেবো আমাদের এই স্বর্ণালী স্মৃতিগুলোকে।

#………………
শরিফুল ইসলাম সীমান্ত
সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগ
৪৪তম আবর্তন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

ফেসবুক থেকে মন্তব্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।